না… আশা বা সকালের স্বপ্ন - কোনোটাই আজ অন্তত পূরণ হলো না।
যে বিল্ডিং-এর ঠিকানা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে গিয়ে জানতে পারলাম ওই বিল্ডিং-এ কোনো “সর্দার” থাকেন না। এরপর খোঁজখবর নিতে নিতে বোঝা গেল, তাঁরা ফ্ল্যাটে থাকেন ন - ফ্ল্যাটের নিচে ছোট করে বানানো একটি জায়গায় থাকতেন।
লিস্টে যে “সর্দার” নামগুলো ছিল, তাঁদের খোঁজ পেলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য… ফুলী সর্দার আর নেই। তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে কথা হলো। জানা গেল, ফুলী সর্দারের স্বামীর নাম ছিল জীবন সর্দার। তাই যে জীবন সর্দারকে নিয়ে আশা করেছিলাম, তাঁর সঙ্গে এই সূত্রের কোনো মিল পাওয়া গেল না।
ফুলী সর্দার যখন প্রায় ২৫–২৬ বছর বয়সে, তখনই তিনি মারা যান। আর তাঁর ভাইয়ের বর্তমান বয়স প্রায় ৩৭–৩৮ হবে। জীবন বাবু ছিলেন হিন্দুস্তানি, তিনিও আর বেঁচে নেই। তাঁদের ছেলে নাকি ছোটবেলায় দমদমের কোনো একটি জায়গায় পড়াশোনা করতেন।
তবুও আমি নম্বর দিয়ে এসেছি। বলে এসেছি - যদি তাঁদের সর্দার পরিবারে ১৯৯৩ সালে হারিয়ে যাওয়া কোনো ছেলের সঙ্গে সামান্যতমও কোনো সংযোগ বা স্মৃতি থাকে, তাহলে যেন অবশ্যই জানানো হয়। কারণ যে জীবন সর্দারকে আমি খুঁজছি, তাঁর সম্ভাব্য বর্তমান বয়স হওয়ার কথা ৭৭–৮৭-এর মধ্যে।
আজকের দিনটা ফল দিল না… কিন্তু খোঁজা থামেনি, থামবেও না।
Comments (0)
Loading comments...