33 years gone but still searching for my family Dipak Chatterjee
Share
Hi, আমি দীপক চ্যাটার্জী বলছি।
যবে থেকে জেনেছি আমাকে ১৯/০২/১৯৯৩ তারিখে পাওয়া গিয়েছিল, তখন থেকেই এই দিনটা এলেই মনটা একটু আলাদা হয়ে যায়। কেমন যেন ভেতরে ভেতরে নীরব একটা আবেগ কাজ করে। দেখতে দেখতে ৩৩ বছর কেটে গেল। সময় এগিয়ে গেছে, আমিও বড় হয়েছি, কিন্তু কিছু প্রশ্ন এখনও একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে।
আমি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমার biological পরিবারকে খুঁজে পাওয়ার জন্য। বিশ্বাস করি, একদিন ঠিক পথ খুলবেই। হয়তো কোনোদিন হঠাৎ করেই কেউ যোগাযোগ করবে, অথবা কোনো ছোট্ট সূত্র বড় দরজা খুলে দেবে। আশাটা এখনও বেঁচে আছে। 😇
রাস্তায় যখন ছোট ছোট বাচ্চাদের ঘুমিয়ে থাকতে দেখি, বুকটা হালকা করে কেঁপে ওঠে। মনে হয়, ওদের জন্য কিছু করা উচিত। এখনও হয়তো আমি পুরোপুরি প্রস্তুত নই, কিন্তু আশা রাখি ২০৩৫ সালের মধ্যে আমি এমন জায়গায় পৌঁছব, যেখান থেকে অন্তত কিছু মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারব।
Street children থাকা উচিত নয় - তবু বাস্তবতা কখনও কখনও খুব কঠিন হয়। এখন এই বয়সে এসে অনেক কিছুই “destiny” বলে মনে হয়। orphanage-এ থাকার সময় বুঝিনি, কিন্তু আজ বুঝি—কত মেধাবী মন শুধুমাত্র একটা সুযোগের অভাবে মূল স্রোতে আসতে পারে না, সমাজের জন্য বড় কিছু করতে পারে না।
শুধু একটু দেখতে ভালো ছিলাম বলেই হয়তো আমার adoption হয়ে গিয়েছিল। orphanage-এর অনেক বাচ্চা আমাকে হিংসা করত, কারণ ওদের কাছে কেউ আসত না। তখন বিষয়টা বুঝিনি, আজ বুঝি - ওদের কষ্টটা কত গভীর ছিল।
আমার মনে হয়, আমাদের এই ভাবনাটা বদলানো উচিত। আমরা যদি প্রত্যেকে অন্তত একটি শিশুর দায়িত্ব নিই - তার পড়াশোনা, তার সঠিকভাবে বড় হয়ে ওঠা - তাহলে হয়তো অনেক ভবিষ্যৎ বদলে যেতে পারে।
এদিকে আমি আমার evidence নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। পুরনো court order-এর সম্পূর্ণ তথ্য এখনও পাইনি। তবে নতুন করে জানতে পেরেছি যে Statesman পত্রিকা নাকি ১০০ বছরের আর্কাইভ সংরক্ষণ করে। তাই আজ National Library-তে যাচ্ছি। যদি সেই দিনের paperটা পাই, তাহলে হয়তো কিছুটা clarity আসবে। যদিও মনে হচ্ছে তথ্যগুলো হয়তো প্রকাশ্যে শেয়ার করার অনুমতি পাব না - তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ মানুষ জানবেন।
আর ১৯ নম্বর lead-এর সূত্র ধরে একজনকে খোঁজার চেষ্টা করছি। যেটুকু তথ্য পেয়েছি, বিশ্বাস করি তাঁকে খুঁজে পেলে হয়তো মা বা মায়ের দিকের কোনো তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
আপনারা আমার এই quest-এ মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে পাশে থাকুন। যেন জীবনের শেষ দিনটায় বলতে পারি - What a life I had.” 😇
Comments (0)
Loading comments...